কীটনাশকের কারণে বন্ধ্যাত্ব বাড়ছে
সঞ্জয় কুলু, শরণখোলা (বাগেরহাট):
ফসল রক্ষায় কৃষিজমিতে অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহার এখন জনস্বাস্থ্যের বড় উদ্বেগ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব রাসায়নিক মানবদেহে হরমোনের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত করে, যার ফলে পুরুষ ও নারী—দুই ক্ষেত্রেই বন্ধ্যাত্বের ঝুঁকি বাড়ছে।
গ্রামের অনেক নবদম্পতিকে দেখায় সন্তান নেবার জন্য খুলনা, বরিশাল ও ঢাকার ডাক্তার দেখাতে। তাতেও কোনো সুরাহা হচ্ছে না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নারী বলেন, “সন্তান নেবার জন্য পরিবার থেকে চাপ আসছে কিন্তু কিছুতেই কিছু হচ্ছেনা।"
গ্রামাঞ্চলে অনেক কৃষকই সুরক্ষা ছাড়া নিয়মিত স্প্রে করেন। এতে কীটনাশকের ক্ষতিকর উপাদান ত্বক, শ্বাস-প্রশ্বাস ও রক্তের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে। দীর্ঘদিন ব্যবহারে প্রজননক্ষমতা কমে যাওয়া ছাড়াও কিডনি, লিভার ও স্নায়ুর ঝুঁকি তৈরি হয়।
চিকিৎসকদের মতে, ফসফরাস ও অর্গানো-ক্লোরিনজাত রাসায়নিক সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর। কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কামরুল হাসান বলেন, "বিকল্প বালাই নিয়ন্ত্রণ, জৈব পদ্ধতি ও সুরক্ষাসামগ্রীর ব্যবহারই ঝুঁকি কমাতে পারে।"
মানুষের স্বাস্থ্য রক্ষা করতে এখনই সচেতনতা জরুরি বলে মন্তব্য বিশেষজ্ঞদের।
