চাচাতো ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত জেঠাতো ভাই
কামাল হোসেন:
কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় পারিবারিক দ্বন্ধের জেরে চাচাতো ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হয়েছেন জেঠাতো ভাই। বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার বাগমারা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে এ ঘটনা ঘটে।আহত মোঃ জামাল হোসেনকে (৪৮) প্রথমে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। জামাল হোসেন বাগমারা চেঙ্গাহাটা গ্রামের আবুল হাসেম মিয়ার ছেলে। পেশায় তিনি একজন মটর গ্যারেজ ব্যবসায়ী।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, আনুমানিক দুপুর দুইটার দিকে মসজিদ থেকে জোহরের নামাজ পড়ে বের হচ্ছিলেন জামাল হোসেন। পূর্ব থেকে ওৎপেতে থাকা তার চাচাতো ভাই একই গ্রামের মৃত সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে মোঃ সোহাগ মিয়া (৩২) তার হাতে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে জামাল হোসেনের বুকের ডান পাশে আঘাত করেন। মুহুর্তের মধ্যে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। ঘটনার পর স্থানীয়রা ঘাতক সোহাগকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। ঘটনাস্থল থেকে একটি ধারালো ছুরি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শী নজরুল ইসলাম বলেন, “জামাল হোসেন প্রতিদিনের ন্যায় নামাজ পড়ে মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন এমন সময় তার চাচাতো ভাই সোহাগ তাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে। মুসল্লীরা তাকে আহত অবস্থায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে অবস্থার অবনতি ঘটলে চিকিৎসকের পরামর্শে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। হামলাকারী সোহাগকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। শুনেছি তারা সম্পর্কে চাচাতো-জেঠাতো ভাই।
লালমাই থানার সেকেন্ড অফিসার আবদুল্লাহ আল ফারুক বুধবার রাতে বলেন, "বাগমারা কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে জামাল হোসেন নামের এক ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাত করার অভিযোগে স্থানীয়রা সোহাগ মিয়াকে আটক করে মারধর করতেছিল। খবর পেয়ে আমরা তাকে উত্তেজিত জনতার রোষানল থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে পুলিশি হেফাজতে নিই এবং হামলায় ব্যবহৃত ছুরিটিও উদ্ধার করি।পরে বুধবার সন্ধ্যায় ভিকটিমের ছোট ভাই কামাল হোসেন বাদি হয়ে হত্যাচেষ্টার অপরাধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। মামলা প্রক্রিয়াধীন।
