শিরোনাম
প্রচ্ছদ / প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর / মুকসুদপুরে পৃথক দুটি সংঘর্ষে পুলিশ আহত হওয়ার মামলায় দুই আসামী গ্রেফতার

মুকসুদপুরে পৃথক দুটি সংঘর্ষে পুলিশ আহত হওয়ার মামলায় দুই আসামী গ্রেফতার

সরদার মজিবুর রহমান ( গোপালগঞ্জ) :

পৃথক দুটি সংঘর্ষে মুকসুদপুর থানার ওসিসহ শতাধিক ব্যক্তি আহতের ঘটনায় পুলিশ আহত মামলায় ২ আসামী গ্রেফতার হয়েছে। বুধবার সকালে আইকদিয়া থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীরা হল আইকদিয়া গ্রামের সৈয়দ জান শেখের ছেলে বিল্লাল শেখ ও লাল খানের ছেলে আলমগীর খান।

মুকসুদপুর থানার ওসি মীর্জা আবুল কালাম আযাদ জানান, সংঘর্ষের ঘটনার সংবাদ পেয়ে আমিসহ থানার পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনার চেষ্টা করি। একপক্ষীয় সংঘর্ষকারীদের উদ্দেশ্য ছিলো ভাংচুর ও লুটপাট করা। পুলিশ বাধা দিলে তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে আমিসহ থানার তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়। পুলিশ ঘটনা নিয়ন্ত্রনে আনার জন্য টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে সংঘর্ষকারীদের ছত্র ভঙ্গ করে লুটপাট ও ভাংচুর নিয়ন্ত্রন করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে এলাকা শান্ত রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

মামলার বাদী মুকসুদপুর থানার এস আই গোবিন্দ লাল দে জানান, আলাদা স্থানে দুটি সংঘর্ষের ঘটনা নিয়ন্ত্রনের সময় মুকসুদপুর থানার ওসিসহ তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়। এই ঘটনায় মূল ৪৭জন ও অজ্ঞাত নামা ৪শ থেকে ৫ শ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মুকসুদপুর ও কাশিয়ানী সার্কেল-এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন ভূইয়া জানান, বনগ্রাম-মহারাজপু্র ও আইকদিয়া পাইকদিয়া আলাদা দুটি সংঘর্ষের হয় । ওই সংর্ঘষের পুলিশ উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে চাইলে আক্রমণকারিরা পুলিশের উপর হামলা চালায় । এতে মুকসুদপুর থানার ওসি মীর্যা আবুল কালাম আজাদ, সেকেন্ড অফিসার মিজানুর রহমান এবং কনেস্টবল আজাদ আহত হয় । পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কয়েক রাউন্ড রাবার বুলেট ও টিয়ার গ্যাস ছুড়ে। ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছে। উক্ত মামলার দুই আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকীদের গ্রেফতারের প্রক্রিয়া চলছে। দ্রুত বাকী আসামীদের গ্রেফতার করা হবে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মুকসুদপুর থানার এস আই আমিনুল ইসলাম জানান, দুই আসামীকে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকীরা অতিশীগ্রই গ্রেফতার হবে।

উল্লেখ্য ২৬ মে মঙ্গলবার দুপুরে বনগ্রাম বাজারে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের ছেলে আলমগীর মিয়ার ওষুধের দোকানের সামনে মহারাজপুর গ্রামের ইজিবাইক চালক লাবলু খান তার ইজিবাইক রাখাকে কেন্দ্র করে উপজেলার বনগ্রাম ও মহারাজপুর এবং আইকদিয়া ও পাইকদিয়া গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে মুকসুদপুর থানার ওসিসহ তিন পুলিশ সদস্য ও শতাধিক লোক আহত হয়। এছাড়াও সংঘর্ষের সময় ৪টি দোকান, ১টি বাড়ি ভাংচুর ও একটি মটর সাইকেল আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে। এবং আইকিদয়ায় লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে।

About jne

Check Also

বাজেট ঘোষণা করলেন গৌরীপুর পৌরসভার মেয়র সৈয়দ রফিকুল ইসলাম

 শামীম খান শামীম (গৌরীপুর ,ময়মনসিংহ) :  নতুন কোন করারোপ ছাড়াই ময়মনসিংহের গৌরীপুর পৌরসভার ২০২০-২০২১ ইং অর্থ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *