প্রচ্ছদ / প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর / খাগড়াছড়িতে জাতীয় পাট দিবস উপলক্ষে  পাট র‌্যালী ও আলোচনা  সভা অনুষ্ঠিত 

খাগড়াছড়িতে জাতীয় পাট দিবস উপলক্ষে  পাট র‌্যালী ও আলোচনা  সভা অনুষ্ঠিত 

মফিজুর রহমান লিমন: “সোনালী আঁশের সোনার দেশ জাতীর পিতার বাংলাদেশ”-এ স্লোগানে জাতীয় পাট দিবস ২০১৯ উপলক্ষে পাট অধিদপ্তর এবং খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের যৌথ উদ্যোগে ৬ মার্চ, ২০১৯খ্রি. তারিখে পাটর‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পাটর‌্যালিটি খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ হতে শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন জায়গা পদক্ষিণ করে পরিষদে এসে শেষ হয়; পরে পরিষদের সম্মেলন কক্ষে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান খগেশ্বর ত্রিপুরা, নির্বাহী কর্মকর্তা টিটন খীসা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কাজী মোহাম্মদ সফর আলী পাট অধিদপ্তর চট্টগ্রামের মূখ্য পরিদর্শক মোহাম্মদ যকরিয়াসহ প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন। এসময় বক্তার পাট জাত পন্য ব্যবহারের উপকারি দিকগুলো তুলে ধরেন।
খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান খগেশ্বর ত্রিপুরা বলেন, পরিবেশ-বান্ধব ফসল হিসেবে সোনালী আঁশ পাটের খ্যাতি বিশ্বব্যাপী। সময়মত উন্নত জাতের পাট ও পাটবীজ চাষ করে পাটের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং পাটবীজ উৎপাদনে স্বয়ম্ভরতা অর্জন করুন। তিনি আরও বলেন পাট পন্যের সম্প্রসারণের বিষয়ে বর্তমান সরকার খুবই আন্তরিক। এছাড়া পাটচাষীদের কল্যাণার্থে ৫ বছর মেয়াদী উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর পাট ও পাটবীজ উৎপাদন এবং সম্প্রসারণ শীর্ষক প্রকল্প গ্রহণ করেছে সরকার। খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা টিটন খীসা বলেন, আমি বিভিন্ন সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় পলিব্যাগ ব্যবহার বন্ধে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব পালন করেছি। আমার দায়িত্ব পালনে বর্তমান সরকার মুগ্ধ হয়ে আমাকে পুরস্কৃতও করেছে। তাই আমি ব্যক্তিগতভাবে বলব আপনারা পলিব্যাগ ব্যবহার বাদ দিয়ে পাট ও পাট পন্য ব্যবহারে উৎসাহি হন। খাগড়াছড়ি কৃষি সম্প্রসারণের উপ-পরিচালক কাজী মোহাম্মদ সফর আলী বলেন, বর্তমান সরকার ধান, চাল, গম, ভূট্টা, সার, চিনি, মরিচ, হলুদ পেঁয়াজসহ ১৯টি পণ্য মোড়কীকরণে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক করেছে। তিনি আরও বলেন পাটের প্রতি খুবই গুরুত্ব দিচ্ছেন বর্তমান সরকার। পাট অধিদপ্তর চট্টগ্রামের মূখ্য পরিদর্শক মোহাম্মদ যকরিয়া বলেন, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণের নেতৃত্বে দেশব্যাপী নিয়মিত ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত ৪,৫৫৬টি ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার মাধ্যমে ৩ কোটি ৫৮ লক্ষ টাকা অর্থদন্ড এবং ৪ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন আইনী জটিলতা এড়ানোর লক্ষ্যে নির্ধারিত পণ্যে পাটজাত মোড়কের ব্যবহার নিশ্চিত করুন এবং পরিবেশ রক্ষা ও পাটণ্যের অভ্যন্তরীণ বাজার সম্প্রসারণে অবদান রাখুন।

About arthonitee

Check Also

গৌরীপুর পৌরসভায় এডিস মশার বিরুদ্ধে এ্যাকশনে মেয়র সৈয়দ রফিকুল ইসলাম

শামীম খান (গৌরীপুর, ময়মনসিংহ) : ময়মনসিংহের গৌরীপুরে শুক্রবার (৯ আগস্ট/১৯) পৌরসভার মেয়র সৈয়দ রফিকুল ইসলাম …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *