প্রচ্ছদ / স্বাস্থ্য / লিভার সিরোসিস কিডনী ফেইলিওর ও থাইরয়েড চিকিৎসায় সাফল্য

লিভার সিরোসিস কিডনী ফেইলিওর ও থাইরয়েড চিকিৎসায় সাফল্য

morshed

নিজস্ব প্রতিবেদক

মোক্তার হোসেন দীর্ঘদিন যাবত লিভার সিরোসিস রোগে আক্রান্ত। তিনি বিভিন্ন হাসপাতাল এবং দেশের স্বনামধন্য বেশ কয়েকজন ডাক্তারের স্বরনাপন্ন হয়েছিলেন। ডাক্তাররা তাকে কোনো আশার বাণী না শুনিয়ে বাড়ী ফিরে জীবনের শেষ দিনগুলো কাটানোর জন্য বলেছিলেন। ঠিক এমন সময় মোক্তার হোসেনের বড় বোন তাকে নিয়ে যান মোরশেদ চৌধুরীর কাছে নিতান্তই শেষ চেষ্টার জন্য। মোরশেদ চৌধুরীর মেধা ও গাছপালার পাউডার এবং নির্যাস দিয়ে তৈরী বিশেষ হারবাল ফুডসাপ্লিমেন্ট খেয়ে এখন পর্যন্ত সুস্থ্য আছেন মোক্তার হোসেন। মোক্তার হোসেনের কাছে এব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি জানান, ‘আল্লাহর রহমতে আমি এখন আগের চেয়ে অনেক সুস্থ ও ভালো আছি।’
মাহ্্মুদ মোরশেদ চৌধুরী একজন হারবাল বিশেষজ্ঞ। অতি ক্ষুদ্র পরিসরে তিনি তার রিসার্চ কার্য চালিয়ে যাচ্ছেন। একান্ত ব্যক্তিগত উদ্যোগে তিনি জনকল্যাণের উদ্দেশ্যেই বন জঙ্গল ঘুরে বিভিন্ন ঔষধি গাছপালা সংগ্রহ করে নিজস্ব ও নিকটতম অসুস্থ্য ব্যক্তিদের চিকিৎসা করছেন দীর্ঘদিন। এক্ষেত্রে তিনি ব্যাপক সফলতার মুখ দেখেছেন। আরোগ্য লাভ করছেন অনেকেই। সাফল্য অর্জন করেছেন এমন কিছু রোগের চিকিৎসায় যার এ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা নেই বললেই চলে। গাছপালার পাউডার এবং নির্যাস দিয়ে তিনি লিভার সিরোসিস, কিডনী ফেইলিওর, আথ্রাইটিস, এক্সিমা, উচ্চ রক্তচাপ, হার্টের ব্লক ও থাইরয়েড রোগে আক্রান্ত অনেক রোগীকে সুস্থ্য করে তুলতে সক্ষম হয়েছেন। হারবাল
১ম পৃষ্ঠার পর
অপর এক ব্যক্তির সাথে টেলিফোনে আলাপকালে জানা যায় ভদ্রলোক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন মেজর যিনি কিডনীর সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে ক্রিয়েটিনিন বেড়ে গিয়েছিল এবং সেনা মেডিক্যাল হাসপাতাল (সিএমএইচ) তাকে সতর্ক করে ডায়ালিসিস করার পরামর্শ দিয়েছিল। কিন্তু মোরশেদ চৌধুরীর হার্বাল ফুড সাপ্লিমেন্ট খেয়ে তার ক্রিয়েটিনিন কমে এসেছে এবং এখন পর্যন্ত তার ডায়ালিসিস করার প্রয়োজন পড়েনি। বর্তমানে তিনি আশংকামুক্ত বলে সিএমএইচ থেকে জানানো হয়েছে।
এসব বিষয়ে জানার পরে মোরশেদ চৌধুরীর সাথে আলাপচারিতায় উঠে আসলো হারবাল নিয়ে আরও অনেক অজানা তথ্য। থাইরয়েড রোগ নিয়ে বলতে গিয়ে মোরশেদ চৌধুরী বলেন, থাইমাস গ্লান্ড তিনটি হরমোন তৈরী করে। যেমন- টি থ্রি, টি ফোর এবং টিএসএইচ। থাইরয়েডের কোনো চিকিৎসা গোটা বিশ্বে এখনও আবিস্কৃত হয়নি। এছাড়া আমাদের দেশের এ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসার ত্রুটির কথা বলতে গেলে অনেক বলা যাবে তবে এগুলোর কোনো প্রয়োজন নেই। দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গই সেটা বুঝবেন। এছাড়া রোগের এবং চিকিৎসার কথা বলতে গেলে অনেক কথাই বলা যাবে। তবে একদিনে এত বলা সম্ভব নয়। আজ শুধু একটি বিশেষ রোগের কথাই শুনুন যার নাম ‘থাইরয়েড’। কিন্তু এই থাইরয়েড রোগের চিকিৎসার ওষুধ আমাদের দেশে কেনো সারাবিশ্বেও এ্যালোপ্যাথিতে আবিস্কার হয়নি।
রোগী রোগীনীরা এ ডাক্তার ও ডাক্তার সাহেবদের কাছে ঘুরে ঘুরে বছরের পর বছর বিভিন্ন ওষুধ খেয়ে ধীরে ধীরে বিছানায় শয্যাশায়ী হচ্ছেন। কারণ সাধারণত এক একজন ডাক্তারের দক্ষতা একটি বা দুটি অর্গানের উপর হয়ে থাকে। ওনারা চেষ্টা করেন বটে কিন্তু কোনো একটা অর্গানকে চিকিৎসা সেবা দিয়ে লাভ নেই। এতে রোগী কোনভাবেই সুস্থ্য হচ্ছেন না বরং অসুস্থতা বেড়ে যাচ্ছে। যখনই একজন ডাক্তার একটি অর্গানের অসুস্থতার উপর ভিত্তি করে ওষুধ দিচ্ছেন তখনই দেখা যাচ্ছে অন্য অর্গান ঠিকমত কাজ করছে না অথবা অন্য ডাক্তার সাহেবের অন্যান্য ওষুধে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ইন্টারেকশন বা বৈপরীত্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এছাড়া থাইরয়েডের একমাত্র ওষুধ হিসাবে ব্যবহার হচ্ছে থাইরক্সিন, যা বিভিন্ন কোম্পানী তৈরী করে বাজারে ছাড়ছে বিভিন্ন নামে। যে ওষুধটার মুল কাজ হল ‘টি’ হরমোনের উৎপাদন বন্ধ করা বা কমিয়ে আনা। এই থারক্সিনকে অন্যভাবে বলা হয় বেটা ব্লকার আর এর সাথে থাইরয়েড সমস্যাগ্রস্থ রোগী বা রোগীনীকে প্রথমেই দেয়া হয় স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ। দ্রুততম সময়ে বা তাৎক্ষনিকভাবে শরীরের কোন কোন ব্যথা একটু কম অনুভব করার সাথে সাথে রোগীর আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়, ভাবতে থাকেন যে, কত বড় সেবাই না তিনি পেয়েছেন এবং দীর্ঘ সময় ওষুধ খেতে থাকেন। কিন্তু প্রকৃতপক্ষেই কি থাইরয়েড সেরে গেলো? আসলে কিন্তু সেটা নয়। বরং দীর্ঘ সময় ঝুলে থাকেন। থাইরয়েড রোগটা সম্পূর্ণ ইমিউন সিস্টেম ও বিভিন্ন অর্গানের সাথে জড়িত। এককভাবে কোন ওষুধ দিয়ে সব অর্গানকে সুস্থ্য করা যাবে না। থাইরয়েড এমনই একটা অসুখ যা মানুষের শরীরের হরমনাল ডিজব্যালেন্স বা হরমোনের অসামঞ্জস্যতা এবং থাইমাস গ্লান্ড যে তিনটি হরমোন তৈরী করে তার নাম “টি” হরমোন যার কাজ সমস্ত সেলগুলোর সহযোগীতা করা। এই থাইমাস গ্লান্ডের উৎপাদিত হরমোনের সম্পর্ক সম্পূর্ণ ইমিউন সিস্টেমের সমস্ত অর্গানের সাথে। স্বাভাবিকভাবেই বলা যায় মানুষের শরীরের সমস্ত অর্গানকে আলাদাভাবে সুস্থ করে তোলার জন্য সমস্ত ওষুধ আবিস্কারই হয়নি সেখানে সম্মিলিত অর্গানের চালিকাশক্তির জন্য কোনো ওষুধ আছে কি? এছাড়াও এ্যালোপ্যাথিতে থাইরেয়েডের কোন ওষুধ আছে বলে আমার জানা নেই। একটা বিষয় লক্ষ করুন যে এক থাইরয়েডের কারনে কত ধরনের সমসা হতে পারে- রক্তশূণ্যতা, মাসলের দূর্বলতা, অতিরিক্ত ঘাম হওয়া, মাথার বিভিন্ন রোগ, চোখে ঝাপসা দেখা থেকে চির অন্ধত্ব পর্যন্ত, নার্ভাস এবং কম্পন রোগ, হাইপারটেনশন ও হার্ট প্যালপিটিশন ও উচ্চরক্তচাপ, প্যারালাইসিস, থ্যালাসিমিয়া, এডিমা, কিডনী ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে এবং ক্রিয়েটিনিন বেড়ে যেতে পারে, রিউমেটয়েড আথ্রাইটিস হতে পারে, প্রজনন সমস্যা দেখা দিতে পারে, হাত পায়ের গিট মোটা এবং মাঝের অংশ শুকিয়ে যেতে পারে (রিকেট), অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি এবং শ্বাসকষ্ট হতে পারে। এছাড়াও রয়েছে বহুবিধ সমস্যা। সুতরাং থাইরয়েড রোগ থেকে আরোগ্য লাভ করতে হলে সম্পূর্ণ ইমিউন সিস্টেম সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে হবে এবং তার উপর ভিত্তি করে ওষুধ প্রয়োগ করতে হবে। অন্যথায় যতবড় ডাক্তার বা স্পেশালিষ্টই হননা কেন থাইরয়েড সারানো সম্ভব বলে আমি মনে করিনা। এছাড়া এ্যালোপ্যাথিতে যার ওষুধই নেই – আর ওষুধ না থাকলে ডাক্তার সাহেবরা থাইরয়েড চিকিৎসা করবেন কিভাবে? তবে এখানে একটা কথা এসে যায় যে ওনাদের স্বার্থের কথা ভেবে যেসব রোগের চিকিৎসা করে ওনারা রোগীকে বছরের পর বছর ঝুলিয়ে রাখেন এটা নেহাত অন্যায়। কারণ চিকিৎসা পেশাটা সেবামূলক এটা ব্যবসা নয়। এগুলো আমার বলার বিষয় নয়, এটা সকলের বোঝার বিষয়। একটা কথা মনে রাখুন গাছপালা বা হারবাল সাপ্লিমেন্টের ভিতরে সকল রোগেরই ওষুধ আছে শুধু লিভার সিরোসিস, কিডনী ফেইলিওর, থাইরয়েড, ডায়াবেটিস কেনো যে কোনো ধরনের জটিল কঠিন রোগের ওষুধ আছে যা চেনা-জানার বিষয় রয়েছে। রাস্তার কবিরাজের শরবত খেলে অসুখ ভালো হবে না কারন এর সঠিক প্রযোগ, মাত্রা বা কতবার প্রয়োজন ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে হবে। ভুলে গেলে চলবে না যে সৃষ্টির গোড়া থেকেই এই গাছ-গাছড়া বা হারবাল চিকিৎসার উদ্ভব। একটু লক্ষ্য করলে বুঝতে পারবেন আগের মানুষগুলোর আয়ু কিন্তু বেশী ছিল এবং অনেক বেশী সুস্থ্য থাকতো। কিন্তু এখন আমাদের আয়ুও কম অসুস্থতাও বেশী। এর কারণ কী? আমরা কিন্তু কিছু একটা হলেই ডাক্তারের স্বরনাপন্ন হই। ডাক্তার সাহেব যে ওষুধ দেন সেটা কেমিক্যালস যুক্ত। এতে একদিকে আমরা কিছুটা সুস্থ্যতা অনুভব করলেও অন্যদিকে আমাদের শরীরের বিভিন্ন অর্গান আরও বেশী মাত্রায় ক্ষতিগ্রস্থ হয়। সুতরাং অসুস্থতার মাত্রা তুলনামূলকভাবে কমে আসার চেয়ে বেড়ে যায় অনেকগুন বেশী। এছাড়াও মানুষের শরীর কিন্তু কেমিক্যালস যুক্ত কোন জিনিসকে গ্রহণ করতে চায় না বরং হিতে বিপরীত ঘটায়। এ বিষয়গুলো আমরা কখনও উপলব্দি করিনা। একটা কথা মনে রাখলে খুশি হবো যে হার্বস বা হারবাল সাপ্লিমেন্টের মাধ্যমে যে কোন ধরনের যেমন থাইরয়েড, লিভার সিরোসিস, কিডনী ফেইলিওর, থাইরয়েড, ডায়াবেটিসের মতো জটিল কঠিন রোগের চিকিৎসা হার্বাল সাপ্লিমেন্টের মাধ্যমেই সম্ভব এবং প্রমানিত।
যেকোনো জটিল রোগের চিকিৎসায় জনাব মোরশেদ চৌধুরীর পরামর্শ নিতে আগ্রহী ব্যক্তিরা ০১৭৪৮৪৯৩১৪৫ নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন।

About akdesk1

Check Also

IMG-20180131-WA0022

যশোরে নারী ফুল চাষীদের ক্যান্সার সচেতনতায় ক্যাপ( CAP)

জরায়ু মুখ ক্যান্সার সচেতনতা মাস জানুয়ারি উপলক্ষে নারীদের ক্যান্সার সচেতনতা মূলক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ক্যাপ যশোরের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *