প্রচ্ছদ / স্বাস্থ্য / ভেষজ চিকিৎসায় মোরশেদ চৌধুরীর ব্যাপক সাফল্য

ভেষজ চিকিৎসায় মোরশেদ চৌধুরীর ব্যাপক সাফল্য

morshed

হার্বাল বা ভেষজ চিকিৎসায় ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছেন হার্বস বিশেষজ্ঞ মোরশেদ চৌধুরী। তিনি তার উদ্ভাবিত ভেষজ চিকিৎসার মাধ্যমে আথ্রারাইটিস, লিভার সিরোসিস, লিভার ক্যান্সার, একজিমা রোগীকে সুস্থ করার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। ২০০ রোগীর চিকিৎসায় তিনি শতভাগ সফল। অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসকদের তিনি রীতিমতো চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন। পেশায় সাংবাদিক হলেও হার্বস চিকিৎসায় চারদিকে হৈচৈ ফেলে দিয়েছেন। এ চিকিৎসার জন্য তিনি প্রতিনিয়তই বনে-জঙ্গলে ঘুরে বেড়ান এবং নানা গাছগাছালি সংগ্রহ করেন। প্রায় ৫ বছর গবেষণা করে এ হার্বাল ফর্মুলা আবিষ্কার করেছেন বলে জানান তিনি। এসব নিয়ে তার হাতে রয়েছে আন্তর্জাতিক ক্লিনিক্যাল রিপোর্ট। অসুস্থ মানুষের কল্যাণে কাজ করার জন্যই তার জীবনের বাকিটা সময় পার করে দিতে চান তিনি। এমন উদ্ভাবন কি করে সম্ভব হলো তার? তিনি বলেন, জার্মানির এক চিকিৎসক, যিনি হার্বাল চিকিৎসায় পিএইচডি করেছেন, মূলত তার অধীনে গবেষণা করেই এমন সুফল পেয়েছি আমি। আমি তার কাছে কৃতজ্ঞ। যদিও তার নামটি আমি উল্লেখ করতে পারছি না। তিনি তার পরিচয় দিতে নিষেধ করেছেন।মোরশেদ চৌধুরী বলেন, ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হয়ে গেলেই মানুষের শরীরে বিভিন্ন রোগের জন্ম হয়। এর মধ্যে ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, থাইরয়েড, কিডনি ফেইল, লাঙ ও হার্ট ডিজিস অন্যতম। বিভিন্ন ধরনের ক্যানসার পর্যন্ত নেচারাল মেডিসিন বা হার্বাল সাপ্লিমেন্ট দিয়েই সারানো সম্ভব। আর এটা অনেক ক্ষেত্রেই সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত।কেমোথেরাপিকে ভুল চিকিৎসা হিসেবে আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, ভুল চিকিৎসা দ্রূত মৃত্যু ঘটাতে পারে। এর প্রধান উদাহরণ হচ্ছে কেমোথেরাপি। আদৌ কি একজন রোগী এবং তার আত্মীয়স্বজন দেখাতে পারবেন যে, ক্যানসার হওয়ার পর কেমোথেরাপি নিয়ে বছরের অধিক কাল বেচে আছেন? প্রায় সবারই উত্তর হবে ‘না’। কিন্তু ডাক্তার সাহেবরা তা বলেন না। কারণ তারা জানেন কেমোথেরাপি দিয়ে কাউকে বাঁচানো সম্ভব নয়। তাহলে কেমোথেরাপি কেন দেয়া হয়? এমন প্রশ্ন অনেকের। ডাক্তাররা পরীক্ষা করার জন্যই ক্যান্সার রোগী বেছে নেন। এটা পশ্চিমা বিশ্বের এক ধরনের চালাকি। তারা যখন বুঝতে পারেন ক্যান্সার মানেই মৃত্যু নিশ্চিত তখন তারা কেমোথেরাপির মাধ্যমে তাদের যত পরীক্ষা-নিরিক্ষা আছে তার সবই চালাতে থাকেন। এখানে রোগী সার্ভাইভ করা করা নয় তাদের পরীক্ষা-নিরীক্ষাই প্রধান হয়ে ওঠে। কেমোথেরাপি নিয়ে কেউ বেঁচে আছেন তা আমার জানা নেই। কারণ কেমোথেরাপি কাউকেই বাচাতে পারে না। ২/১ বছরের মধ্যে তাদের মৃত্যু নিশ্চিত। কেমোথেরাপি নেয়ার ফলে ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর দেহের সুস্থ সেলও মরে যায়। অন্যদিকে ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর শরীরে প্রচন্ড ব্যথা থাকে যা অসহনীয়, কেমোথেরাপির ফলে সে ব্যথা কিছুটা লাঘব হওয়া ছাড়া আর কিছুই হয়না। হার্বস বিশেষজ্ঞ মোরশেদ চৌধুরী বলেন, প্রশ্ন করতে পারেন এরপরও কেমোথেরাপি কেন? উত্তরটা হল ওয়েস্টার্ন এক্সপেরিমেন্টাল বিজনেস অ্যান্ড করপোরেট পলিটিক্স ।আমার কথাটা অন্যদের পছন্দ নাও হতে পারে তাদের প্রতি আমার অনুরোধ আপনারা একটু যাচাই করে দেখুন! একটা ঘটনা উল্লেখ করতেই হচ্ছে, কেমোথেরাপি নিয়েও আমার পরিচিত ডা. মাহবূব লিভার সিরোসিসে (লিভার ক্যানসার) ছয়মাসের মধ্যে মারা গেছেন প্রায় ৪-৫ বছর আগে। অন্যদিকে তারও প্রায় বছরখানেক আগে আমার পরিচিত একজনের লিভার সিরোসিস ধরাপড়ে। লিভারে দুটো টিউমার নিয়ে এখনো তিনি বেচে আছেন। হোমিও চিকিৎসা এবং হার্বাল ওষুধই তাকে এতদিন টিকিয়ে রেখেছে। ৬ -৭ বছর যাবত শারীরিক ভাবে সুস্থ আছেন অন্যের সাহায্য ছাড়াই। তিনি ছিলেন একটি ব্যাংকের সিনিয়ার প্রিন্সিপ্যাল অফিসার। বর্তমানে অবসরে আছেন। মোরশেদ বলেন, দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, আমাদের দেশের শিক্ষিত ব্যক্তিগণ ওয়েস্টার্ন ওয়ার্ন্ডকে ফলো করতে গিয়ে নিজেদের ক্ষতি করছেন। তাদের খারাপ দিকগুলোকে এখনও তারা বর্জন করতে পারছেন না। বিদেশি চিকিৎসা ছাড়া গতি নেই- এটা যেন অবলিলায় তাদের মগজে ঢুকে গেছে । তারা এটা জানে না যে, ওয়েস্টার্ন ওয়ার্ল্ডও এখন ঝুঁকছে হার্বসের দিকে। কারন পশ্চিমা বিশ্ব বুঝে গেছে যে জটিল কঠিন রোগের ওষুধ এ লোপ্যাথিতে নেই তা হার্বালেই আছে। কারণ, কেমিক্যালসযুক্ত ওষুধের সাইড এফেক্ট ভয়ানক। কিন্তু হার্বাল চিকিৎসার ক্ষেত্রে এটা প্রায় অসম্ভব।ভেষজ চিকিৎসায় মোরশেদ চৌধুরীর ব্যাপক সাফল্য
ভেষজ চিকিৎসায় মোরশেদ চৌধুরীর ব্যাপক সাফল্য

তিনি আক্ষেপ করে বলেন, ডাক্তাররা সঠিক ডায়াগনসিস বা নির্ভ্লু রোগ নির্ণয় করতে না পারলে তারা কি ওষুধ দেবেন? প্রপার ওষুধ না থাকলে তারা কি করবেন? অবশ্য ডাক্তার সাহেবদের দোষী করা যায় একটি কারনে যে, তাারা বেশির ভাগ রোগীকে বলেন না যে, অসুখটা আসলে কি, এর ওষুধ আবিষ্কার হয়েছে কিনা, পাওয়া যাবে কিনা বা তিনি এই চিকিৎসা করতে পারবেন কিনা? এগুলো না বলে নিজেদের স্বার্থে নানা কিসিমের ওষুধ দিয়ে মাসের পর মাস, বছরের পর বছর টেস্ট করান, ওষুধ পাল্টে পাল্টে ঘোরাতে থাকেন। এটা কি ডায়াগনসিস না এক্সপেরিমেন্ট? আপনারাই বলুন।এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমার জানা মতে থাইরয়েড, গ্রাভস্ ডিজিস, আর্থ্রাইটিসের প্রকৃত ওষুধ সারা পৃথিবীর এলোপ্যাথি চিকিৎসায় এখনো আবিষ্কৃত হয়নি । তারা এসব রোগীর যে চিকিৎসা করেন তার ফলে রোগী ৩/৪ বছরের মধ্যেই স্থায়ীভাবে বিছানায় পড়ে যায় আর উঠতে পারে না। এভাবেই বকে সময় তারা মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। কিন্তু এসব রোগের চিকিৎসা একমাত্র হার্বসের মাধ্যমেই সম্ভব এটা আমার চ্যালেঞ্জ। ক্যান্সার রোগীর কেমোথেরাপির ওপর সবচেয়ে গুরুত্ব দিয়েছেন হার্বস বিশেষজ্ঞ মোরশেদ চৌধুরী। তিনি এই থেরাপি নিয়ে আরো বলেন, ক্যান্সার চিকিৎসায় কেমোথেরাপি থেকে সাবধান। বিভিন্ন ওষুধের সংমিশ্রণের কেমোথেরাপি শরীরের ক্যান্সারের সতেজ কোষকে ধ্বংস করে দেয়। এই ওষুধগুলো ইনজেকশনের মাধ্যমে রোগীর শরীরে প্রয়োগ করা হয়। হাসপাতালে ভর্তি হয়ে এগুলো দিতে হয়৷ দীর্ঘ সময় ধরে একটু একটু করে এ ওষুধ রক্তে মিশে যায়।এ সময় কারো কারো ভয়াবহ রকমের বমি হয়, শরীরে খিঁচুনি হয়, ক্ষুধাবোধ একেবারে কমে যায়, শরীর প্রচন্ড রকম দুর্বল হয়ে পড়ে এবং মানসিক অবসাদ দেখা দেয়। মাথার চুল, ভ্র পড়ে যায়।ডাক্তাররা আজ পর্যন্ত বলেন না, ক্যান্সার হওয়ার পর কেমোথেরাপি দিলে ক্যান্সার নির্মূলের হার কতো? অথচ কেমোথেরাপিকে ক্যান্সার নিরাময়ে সবচেয়ে একমাত্র চিকিৎসা বলে মনে করা হয়। কিন্তু প্রাণঘাতী ক্যান্সারে মানুষ মারা যাওয়ার জন্য প্রধান দায়ী এই কেমোথেরাপি৷ ক্যানসার চিকিৎসায় কেমো ও বিভিন্ন থেরাপির ব্যবহার নিয়ে ২৫ বছর ধরে গবেষণা শেষে এমন তথ্য দিয়েছেন ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা বিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. হার্ডিন বি জোনস ।গবেষণায় তিনি আরো উল্লেখ করেন, ক্যান্সার চিকিৎসা এক ধরনের ব্যবসা, যা শিল্প কারখানা প্রতিষ্ঠার চেয়েও বেশি লাভজনক। এই চক্রে প্রতিটি ডাক্তার, প্রতিটি হাসপাতাল, প্রতিটি ফার্মাসিটিক্যালস কোম্পানি এবং সংশ্লিষ্ট সবাই জড়িত।ব্যবসাটা তখনই শুরু হয়, যখন কোনো রোগী মারাত্মক রোগের তথাকথিত চিকিৎসা, যেমন, কেমোথেরাপি, রেডিয়েশন বা শরীরের কোনো অংশের জটিল চিকিৎসার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। রোগীরা যারা কেমো নিতে আসেন, তারা একটি ভয়ংকর পদ্ধতির মধ্যে দিয়ে যান। কেমো নেয়া রোগী অন্য যেকোনো চিকিৎসা পদ্ধতির চেয়ে দ্রূত মারা যান এবং অধিক যন্ত্রণা ভোগ করেন। কেমো মানুষের আয়ু সংক্ষিপ্ত করে এবং দ্রূত মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। এসব বিষয় কঠিন গোপনীয়তার মধ্যে করা হয়। কারণ এখানে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলারের ব্যবসা জড়িত।’ প্রতিটি ডাক্তার, প্রতিটি সেবিকা, প্রতিটি ওষুধের দোকান, কেমোথেরাপি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান (আমদানীকারক) সকলেই কেমোথেরাপী প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের নিকট থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থে নিয়মিত কমিশন পেয়ে থাকেন।সপ্রতি নিউইয়র্ক একাডেমি অব সায়েন্সে প্রকাশিত তার গবেষণায় বলা হয়েছে, যিনি কেমোথেরাপি নেননি, এমন রোগী কেমো গ্রহণকারীর চেয়ে সাড়ে ১২ বছর বেশি বাঁচেন। কেমোথেরাপি নেওয়ার তিন বছরের মধ্যে রোগী মারা যান। এমনকি কেমোথেরাপি শুরুর কয়েক সপ্তাহের মধ্যে অনেকে মারা যান। স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত নারীরা যারা প্রচলিত বিভিন্ন থেরাপি নেননি তারা অন্যদের চেয়ে চারগুণ বেশি সময় বাঁচেন।তিনি বলেন, এসব কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয় না। যার ফলে কেমোথেরাপি ক্যান্সারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার সবচেয়ে কার্যকর ওষুধ- এরকম মিথ (মিথ্যা কথা/ কাল্পনিক গল্প) ছড়ানো অব্যাহত থাকবে।১৯৭৯ সালের আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন একটি একটি গবেষণায় দেখা যায়, চিকিৎসায় ব্যবহৃত এখন পর্যন্ত কোনো থেরাপি প্রকৃতপক্ষে ক্যান্সারের নিরাময়ে কিংবা মানুষকে দীর্ঘস্থায়ীভাবে বেঁচে থাকার ক্ষেত্রে কোনো ভূমিকা রাখতে পারেনি।ক্যান্সার নিরাময়ে বিভিন্ন থেরাপির ভূমিকা নিয়ে ১৯৭৮ সালেও দুটি গবেষণা করা হয়েছিল। যার একটি হয়েছিল ইসরায়েলে ও অন্যটি ব্রিটেনে। দুটি গবেষণায় ক্যান্সারের চিকিৎসায় কেমো বা বিভিন্ন থেরাপি তেমন কোনো ভ‚মিকা রাখতে পারে না বলে তথ্য দেয়।কেমোথেরাপি ক্যান্সারের জীবাণু ধ্বংস করে না বরং শরীরের সুস্থ কোষকেই ধ্বংস করে। এটা অপ্রকাশিত সত্য যে, যারা ক্যান্সারের কারণে মারা যান, তারা প্রকৃতপক্ষে কেমোথেরাপি বা রেডিওথেরাপি গ্রহণের কারণেই মারা যান। তাই যতটা সম্ভব কেমোথেরাপি থেকে দূরে থাকুন।

মোরশেদ চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগের জন্য মোবাইল নং-০১৭৪৮৪৯৩১৪৫

About arthonitee

Check Also

pangas-bh24

সুস্থ থাকতে অবশ্যই মাছ খান তবে পাঙ্গাস নয়

অনেকেরই পছন্দের একটি মাছ হচ্ছে পাঙ্গাস, শরীরে প্রয়োজনীয় প্রোটিন, ওমেগা ফ্যাটি অ্যাসিডের চাহিদা মেটাতে ছোট …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *