প্রচ্ছদ / মতামত / কাঙ্ক্ষিত তিস্তা ব্যারেজ এবং লালমনিরহাটবাসীর প্রাপ্তি

কাঙ্ক্ষিত তিস্তা ব্যারেজ এবং লালমনিরহাটবাসীর প্রাপ্তি

tista

হৃদয় তালুকদার: তিস্তা ব্যারেজ।দেশের সবচেয়ে বড় সেচ প্রকল্প। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের এক বিশাল অর্জনও বটে। ১৯৩৭ সালে তিস্তা ব্যারেজের পরিকল্পনা করা হয়। কিন্তু মূল পরিকল্পনা গ্রহন করা হয় ১৯৫৩ সালে। ১৯৫৭ সালে নির্মানকাজ শুরুর কথা থাকলেও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার জন্য বন্ধ থাকে তিস্তা ব্যারেজের কাজ। তিস্তা ব্যারেজের প্রথম ভিত্তি স্থাপন করা হয় লালমনিরহাট জেলার হাতিবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী ইউনিয়নের নিজ গড্ডিমারীতে। তিস্তা এবং সানিয়াজান নদীর মোহনায়।তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের পরিকল্পনা ছিলো বন্যা নিয়ন্ত্রণ,কৃষিতে সেচ ও জলবিদ্যুৎ উৎপাদন।কিন্তু তিস্তার স্রোতের বেগ ক্রমান্বয়ে কমে যাওয়ায় কার্যক্রমটি ভেস্তে যায়। স্বাধীনতার পর ১৯৭৯ সালে গড্ডিমারী ইউনিয়নের দোয়ানী নামক গ্রামে এর কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। তবে কিছুদিন পর হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ ক্ষমতায় এলে তার আমলেই নির্মানকাজ সমাপ্ত হয়।যদিও কাজ সম্পূর্ণরুপে সমাপ্ত হয়েছিলোনা। তবুও এই সেনা সমর্থিত সরকার এর রাষ্ট্রপতি ক্ষমতা শেষ হয়ে যাচ্ছে আচ করতে পেরে তাড়াহুড়ো করে ১৯৯০ সালের ৫ আগস্ট তিস্তা ব্যারেজের উদ্বোধন করেন। তিস্তা ব্যারেজের নির্মান ব্যয় প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকা এবং দেশীয় প্রকৌশলী ও শ্রমিক দ্বারাই এটি নির্মান করা হয়। তিস্তা নদী লালমনিরহাট ও নীলফামারী জেলাকে বিভক্ত করেছে।যদিও সম্পূর্ণ ব্যারেজ হাতিবান্ধা উপজেলার অন্তর্গত। ৪৪ টি রেডিয়াল গেটসহ ৬১৫ মিটার দৈর্ঘ্য এই ব্যারেজ। বাইপাস ক্যানেল সহ এই ব্যারেজের মোট গেইটের সংখ্যা ৫২ টি।প্রতিটি গেইটের কাজ অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশন এবং ক্যানেলের মাধ্যমে তা সঞ্চালন করা। তিস্তা ব্যারেজ রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার দায়িত্বে আছে বাংলাদেশ পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড।
কিন্তু দেশের এই বৃহত্তম বাধটি লালমনিরহাটের জন্য কতটা কল্যাণ বয়ে এনেছে? বৈষম্য আর যাতনা।হ্যা,অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও এটাই সত্যি যে তিস্তা ব্যারেজ নীলফামারী,দিনাজপুর এবং পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর জন্য আশির্বাদ হলেও খোদ লালমনিরহাটের জন্য ভয়ঙ্কর যাতনা আর বিড়ম্বনা।
কারণ,এর কোন সুবিধার সিকি পরিমাণ তো আমরা পাচ্ছিই না;শুধু পাচ্ছি দুঃখ,দুর্দশা আর হাহাকার।
প্রকল্প এবং বাস্তবতা সম্পূর্ন ভিন্ন ধারায় প্রবাহিত
হচ্ছে। এই ব্যারেজ নির্মানের প্রধান উদ্দেশ্যই হলো লালমনিরহাট জেলা ও আশেপাশের এলাকাকে বন্যার হাত থেকে রক্ষা করা।কিন্তু সরকারের প্রকল্প বাস্তবায়ন হলেও লালমনিরহাটবাসীর প্রত্যাশা পূরণ হয়নি।কারণ, এই ব্যারেজটির জন্য নিয়ন্ত্রিত পানি তিস্তার বামতীরকে প্রতিবছরই প্লাবিত করে।যার ফলে বন্যায় ভেসে যায় হাতিবান্ধা উপজেলার হাজারো মানুষের বাড়িঘর এবং ফসল।বন্যার করুন চিত্র বর্ননাতীত হয়ে পড়ে। অথচ এই ব্যারেজের ষোলআনা সুবিধা ভোগ করে নীলফামারী জেলাসহ রংপুর,দিনাজপুর, পঞ্চগড়,ঠাকুরগাও এবং বগুড়া জেলা।তিস্তার ক্যানেলের পানি দিয়ে সেসব অঞ্চলের চাষাবাদ হচ্ছে। প্রায় ৫ লক্ষ ৪০ হাজার হেক্টর জমি চাষাবাদ হয় তিস্তার ক্যানেলের পানি দিয়ে।কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, কষ্টের বিষয় হচ্ছে লালমনিরহাট জেলার ভিতর দিয়ে তিস্তার কোন ক্যানেল প্রবেশ করেনি। তাই হতভাগা লালমনিরহাট শুধুমাত্র দেশের এই সর্ববৃহৎ বাধটির ভার বহন করে চলেছে।আর ভারের সাথে দায়টাও তাকেই নিতে হচ্ছে।প্রতিবছর বন্যার করাল গ্রাসে নিমজ্জিত হয় হাতিবান্ধা উপজেলার তিস্তার তীরবর্তী বিশাল এক অংশ। বন্যায় মানুষের ঘরবাড়ি থেকে শুরু করে গবাদি পশু এবং
ফসলাদি সব ভেসে যায়।মানুষের দুঃখ-কষ্টের সীমা থাকেনা।অসহায় মানুষগুলোকে শরণার্থীর মতো আশ্রয় নিতে হয় উচু কোন রাস্তার ধারে কিংবা বন্যানিয়ন্ত্রণ
বাধের উপরে।বছরের পর বছর এই এলাকার মানুষগুলো এরকম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। ১৯৮৮ এবং ১৯৯৬ সালের পর গতবছর ২০১৬ এর জুন -জুলাইয়ের
বন্যার প্রকোপে মানুষ এখনো দিশেহারা।ভয়ঙ্কর বন্যায় ডুবে যায় হাতিবান্ধা উপজেলার সীমান্তবর্তী সানিয়াজান ইউনিয়ন এবং নীলফামারীর ডিমলা থানার
টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের বিশাল অংশ। চারিদিকে শুধু পানি আর পানি।কদিন আগেই যেখানে বিস্তীর্ন ফসলের মাঠ ছিলো,মানুষের বসতি ছিলো নিমিষেই সেটি নদীর আকার ধারণ করে ফেললো।বোঝার জো ছিলোনা যে এখানে মানুষের বসতি ছিলো।নৌকা নিয়ে যখন বের হলাম নিজের এলাকাকে নিজের কাছেই বড় অচেনা লাগছিলো।হাহাকার,আহাজারি আর ভাঙ্গনের খেলা। বড়ই বেদনাদায়ক সেই চিত্র।তিলতিল করে ওঠা মানুষের সংসার কিভাবে ভেসে যাচ্ছিলো।বড়বড় গাছপালাগুলো কেমন খড়কুটোর মতো ভেসে চলছিলো।আহাজারি করতে করতে মানুষগুলো তীরে এসে আশ্রয় নিচ্ছিলো। রক্তপানি করা উপার্জনে তৈরি করা নিজের বাড়িটি যখন মুহুর্তেই ভেসে যায় চোখের সামনে দিয়ে তখন বাড়ির কর্তা ৮০ বছরের বৃদ্ধটির হাহাকার ছাড়া আর কি বা করার থাকে?
একবছরের বেশি সময় ধরে বন্যার্ত এই মানুষগুলো বাধের ওপরে আশ্রিত হয়ে পড়ে আছে।রাস্তার হাটাচলার জায়গাটিতে করে নিয়েছে মাথা গোজার ঠাই।এই বন্যা
মুহুর্তেই ধ্বংস করে দিলো রাস্তাঘাট্,হাট বাজার আর মানুষের স্বপ্ন।সুন্দরভাবে বেচে থাকার পথের সবচেয়ে বড় বাধা আমাদের জন্য এই বন্যা।যার জন্য দায়ি তিস্তা
এবং তিস্তা ব্যারেজ। বছর না ঘুরতেই এইবছরের বন্যায় প্লাবিত হয়েছে গড্ডিমারী ইউনিয়নের বিশাল এক অংশ।পাকারাস্তা, ব্রিজ,কালভার্ট ভেঙ্গে যাওয়া ছাড়াও ধ্বংস হয়েছে ফসল,ঘরবাড়ি এবং গৃহহীন হয়েছে হাজারো মানুষ। ক্ষুধা,হাহাকার,অভাব সেখানকার নিত্যসঙ্গী হয়ে দাড়িয়েছে।সবই হয়েছে তিস্তার ভাঙ্গনের ফলে।
এরকম প্রতিবছরই তিস্তার মরণকামড় খেতে হয় হতভাগ্য লালমনিরহাট বাসীদের।যে লালমনিরহাট জেলায় মাথা উচু করে দাড়িয়ে আছে তিস্তা ব্যারেজ। “গেয়োযোগী ভিখ পায়না” -এই প্রবাদের অগ্নিসাক্ষী লালমনিরহাট জেলা ও তিস্তা ব্যারেজ। তিস্তা ব্যারেজের উপর দিয়ে গাড়ি ও ট্রাক চলাচল শুরু হয়েছিলো কিছুদিন।তাতে লালমনিরহাটের বুড়িমারী থেকে রংপুর শহরে যেতে সময় লাগতো দেড় থেকে দুই ঘন্টা।অপরদিকে বুড়িমারী থেকে লালমনিরহাট সদর হয়ে
রংপুর যেতে সময় লাগে চার থেকে সাড়ে চার ঘন্টা। অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, বাধ হুমকির মুখে পড়বে এরকম ভিত্তিহীন অভিযোগের ভিত্তিতে বাস ও ট্রাক চলাচল
বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। কোন সুবিধাই জুটলোনা লালমনিরহাটের জন্য। প্রতিবছরই জুন-জুলাই অর্থাৎ বন্যার সময়কার টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর শিরোনাম হয়ে দাড়ায় এই যে,”তিস্তা নদীর স্রোত বিপদসীমার এত এত সেঃমিঃ উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।”সেটা হতে পারে ৩৭ সেঃমি কিংবা ৪৭ সেঃমি কিংবা আরো উচ্চতায়।
তিস্তা ব্যারেজের সম্পূর্ন দায়ভার আজ পর্যন্ত লালমনিরহাট জেলাকে বহন করতে হচ্ছে।বিশেষ করে হাতিবান্ধার অন্তর্ভুক্ত প্রতিবছর বন্যা কবলিত মানুষদের
বহন করতে হচ্ছে। যাদের সামান্য ত্রাণের মুড়ি-চিড়া ছাড়া আর কিছুই জোটেনা। তাও আবার কারো কারো জোটে কারো কারো জোটেনা। তিস্তা ব্যারেজের দায়ভার বন্যার্ত লালমনিরহাট জেলাবাসীর ওপরে।কিন্তু সেই বন্যার্তদের আর ক্ষতিগ্রস্তদের দায় কে নেবে?? কেউ নেয়না তাদের দায়।অথচ এই ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাতে অনেক নামিদামি মানুষ ও বড়বড় পত্রিকার সাংবাদিক এর জন্ম হয়েছে।কেউ কখনো তিস্তা ব্যারেজের দায়ভার ও আমাদের দুরবস্থা পত্রিকায় তুলে ধরবার প্রয়োজন মনে
করেননি।যদিও তারা সব জানেন এবং বোঝেন।সবাই নিজের দায়ভার নিয়ে ব্যস্ত। জানিনা এলাকার দুঃখ-দুর্দশা কবে দুর হবে। আর কত প্লাবিত হবে এলাকা?এই অাধুনিক যুগে এসেও আর কত অন্ধকারে থাকবো আমরা?বিংশ শতাব্দীর এই ঝলমলে আলোর যুগেও আমরা অন্ধকারাচ্ছন্ন।জীবন যাত্রার মান কোথায় বাড়লো আমাদের?সেই দারিদ্র্যতা,সেই হতাশা,সেই দুর্দশা ঘুরে ফিরে আমাদেরই পেছনে। তবে কি আমাদের মুক্তি নেই?নদীর গতি এবং ভাঙ্গনকে হয়তো আমরা ঠেকাতে পারবোনা;কিন্তু তাই বলে কি শিশুরা স্কুলে যেতে পারবেনা?আমাদের না খেয়ে থাকতে হবে?ত্রাণের চালের জন্য,চিড়া-মুড়ির জন্য তীর্থের কাকের মতো বসে থাকতে হবে?কোন উপায়ই কি নেই আমাদের সুন্দরভাবে বেচে থাকার?আমরা কি সুন্দরের স্বপ্নজাল বুনতে পারিনা?আমাদের সুন্দরভাবে বাচার অধিকার আছে। আমরা এগিয়ে যেতে চাই।আমরা আর বন্যার আঘাতে ক্ষত বিক্ষত হতে চাইনা।অবশ্যই আমাদের তিস্তার করাল গ্রাস থেকে বাচার বিকল্প উপায় আছে।জানিনা সেটি কবে বাস্তবায়ন হবে।সে উপায় কবে আমাদের নতুন পথের সন্ধান দেবে তাও জানিনা। আজকের এই আধুনিক বিশ্বের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের একটি অংশ এই তিস্তা। প্রতিবছর শীতকালে ঝাকে ঝাকে উড়ে আসে অতিথি পাখিরা।সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য বাধের দুইপাশে গাছপালা লাগানো হয়েছে।বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে প্রকৃতির নৈসর্গিকতা আর নয়নাভিরাম দৃশ্য।তিস্তার ঝলমলে পানি আর ঢেউ সেই সৌন্দর্যটাকে আরো বাড়িয়ে তোলে।বাস্তবে দেখলে যে কারো মনে একটি শৈল্পিক স্বত্বা জেগে উঠবে।প্রকৃতির সৌন্দর্য আর নদীর পাড়ের ফুরফুরে হাওয়ায় মুুহুর্তেই মন ভরে ওঠে। কিন্তু আমরা বড়ই হতভাগা!!নেই কোন পর্যটন। বা পর্যটকেরা আসলেও নেই কোন আবাসন।যেখানে তারা অবস্থান করে এলাকার সৌন্দর্য অবলোকন করতে পারবে। বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে পারবে তিস্তা ব্যারেজ
এলাকার প্রেক্ষাপট।আমাদের নিয়ে কেউ কিছু বলেনা। আমরা বড়ই অবহেলিত।বড়ই উপেক্ষিত।কত বড় বড় মানুষেরা কত বড় বড় পত্রিকায় কলাম লেখেন।আমার নিয়ে লেখার কেউ নেই।কেউ লেখেনা।আমরা যে কতটা সংকটাপন্ন,কতটা হতাশাগ্রস্ত, কতটা ক্ষতিগ্রস্ত সে কেবল আমরাই বুঝি।তিস্তায় জোয়ার আসলেও আমরা মরি,আবার ভাটা পড়লেও আমরা মরি।কিন্তু আমাদের এগিয়ে যাবার সম্ভাবনাটাও লুকিয়ে আছে তিস্তার মাঝেই।আমাদের মুক্তির উপায়টাও লুকিয়ে আছে এই তিস্তার মাঝেই।সেটাকে খুজে পেতে আমাদের কেই এগিয়ে আসতে হবে।সরকারকে উদ্যোগী হতে হবে।
আমাদের পিছিয়ে পড়ে থাকার কোন যৌক্তিকতাই নেই। কিন্তু আমরা পিছিয়ে পড়ছি।তিস্তার ভয়ানক থাবা আমাদের পিছিয়ে দেয়।অথচ তিস্তার এই সর্বনাশা প্রকোপ থেকে আমাদের বাচার পথ ঠিকই আছে কিন্তু আমরা বছর বছরই মরছি।কত কলামিস্টরা কত বড় বড় কলাম লেখেন,কতকিছুর সমালোচনা করেন।কত পরামর্শ, কত পথের সন্ধান দেন।কিন্তু আমরাই শুধু হতভাগ্য। আমাদের কেউ চোখে দেখেনা।আমরা নিজেরাই নিজেদের অবস্থান দেখিনা অন্যরা আর কতটুকু দেখবে। আমাদের তিস্তাপাড়েই অনেক বড় বড় সাংবাদিক আর মিডিয়া ব্যক্তিত্ব আছেন।সবাই নিজের ভবিষ্যতের সন্ধানেই ব্যস্ত। রাজনৈতিক বিশ্লেষক হিসেবে নিজেদের তৈরি করতে ব্যস্ত।তারা কি করেন যখন বন্যা হয় তখন এলাকায় এসে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিলি করেন।বিদুরের খুদ বা বানরের রুটি ভাগ করার ত্রাণ। যে ত্রাণ নিয়েও চলে ভাগাভাগি আর লুটপাট।যে ত্রান দেয়া আর না দেয়া সমান কথা।বড় বড় রাজনীতিকেরাও একই কাজ করেন। ত্রাণ দিয়ে কি সমস্যার সমাধান হয়?হয়না।এতে শুধু একজনের কৃতিত্ব জাহির হয় আর আরেকজনকে ভিখারী সেজে হাত পাততে হয়।এছাড়া আর কিছুই হয়না।আমাদের দরকার সমাধান।আমাদের দুটি হাত আছে।আমরা খেটে খেতে পারি।ত্রাণের কোন প্রয়োজন নেই।ত্রান টা যে কেবলমাত্র নাটকীয়তা।আমাদের এমন একটা সমাধান চাই যাতে করে আর কারো কাছে হাত বাড়াতে না হয়।
নিজেদের হাতটাই যে অনেক শক্তিশালী। আমাদের সম্ভাবনার দ্বারটা খুলে দিলেই আমরা এগিয়ে যেতে পারবো এতে কোন সন্দেহ নেই। তবুও প্রত্যাশা করি হয়তো সরকার এটি সমাধানের উদ্যোগ নেবে।আমাদের এই কঠিন সংকট থেকে উত্তরণের পথ নিশ্চয়ই বের করবে সরকার।
লেখকঃ হৃদয় তালুকদার

About arthonitee

Check Also

bashar

ভাতের চালের সংকট!

 কাজী মোঃ খায়রুল বাসার: আমরা বাংলাদেশী বাংলা ভাষার মানুষ। মাছে ভাতে বাংগালী প্রবাদটি ছোট বেলা থেকে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *